নবী প্রেম এর আযব ঘটনা ২। ইমাম মালেক (রহঃ) এর ঘটনা। Ja al haq Islamic Cha...


মসজিদে নববীতে উঁচু আওয়াজ না করা

হযরত সায়েদ বিন এজিদ বলেন একদিন আমি মসজিদে নববীর কোনায় বসা ছিলাম তখন কেহ একজন আমাকে কংকর নিক্ষেপ করল আমি ফিরে দেখলাম তিনি ছিলেন হযরত ওমর (রা) আমি তখন উঠে উনার কাছে চলে গেলাম, তখন আমি প্রশ্ন করলাম এয়া আমিরুল মুমিনিন আপনি আমাকে কংকর কেন মেরেছেন? তখন তিনি বললেন ঐ যে দুরে ২ জন লোক বসে আছে আর মসজিদে নববীতে হুযুরের রওজায় এসে উঁচু আওয়াজে কথা বলছে তাদের ডেকে আন।

আতি তাদের ডেকে ওমরের কাছে নিয়ে আসলাম, তখন হযরত ওমর (রা) বললেন তোমরা কোথাকার বাসিন্দা? তারা বলল আমরা তায়েফ থেকে এসেছি। ওমর (রা) বললেন যদি তোমরা মদীনার বাসিন্দা হতে তাহলে আজ আমি তোমাদের শাস্তি দিতাম। তোমরা উঁচু আওয়াজে কথা বলছ জাননা এটা রাসুলুল্লাহর মসজিদ?

হুজুরের ইজ্জত তখনও ছিল এখনও আছে কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে।

 

৩. ইমাম মালেকের কিতাবের শব্দ ইশকে মোস্তফা

মদীনার লোকেরা ইমাম মালেক (রহ) এর মাযহাব মানেন, তিনি একজন সাচ্চা আশেকে রাসুল ছিলেন, যারা কথায় কথায় বলেন দলিল কোথায়? তাঁদের জন্য ইমাম মালেক (রহ) এর ইশকে মুহব্বতের ছবক রয়েছে।

হযরত ইমামে মালেক হুজুরের রওজার পাশে বসে ৪০ বছর হাদিসের দরস দিয়েছৈন এই ৪০ বছরে তিনি কিতাবের পাতা উল্টানোর আওয়াজ পযন্ত হতে দেননি।

# ইমাম মালেক মদীনায় খালি পায়ে চলাফেরা করতেন,

নবীর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করার জন্য কুরআন হাদীসের দলিলের প্রয়োজন নাই, জায়েজ পন্থায় মহব্বত প্রকাশ করা যায়, ইমাম মালেক একজন মুজতাহিদ এবং একজন শ্রেষ্ঠ মুফতি ছিলেন, মদীনা পাকে খালি পায়ে হাটা চলা করার ব্যপারে তিনি কুরআনের দলিল হাদিসের দলিল কিংবা সাহাবাদের আমল তালাশ করেননি। বরং নবীর প্রতি ইজ্জত সম্মান দেখিয়েছেন বিনা দলিলে। সুবহানাল্লাহ।

 

৪. কদু হুজুরের পছন্দের খাদ্য

খলিফা হারুনুর রশিদের দরবারে দাওয়াতে হযরত ইমাম মালেকও ছিলেন একজন দাওয়াতে খাবার খেতে খেতে বলল আমি কদু পছন্দ করিনা তখন ইমাম মালিক তরবারি বের করে বলল যা রাসুলুল্লাহর পছন্দ তা তোমার পছন্দ না বলার অধিকার কে দিয়েছে?

এটাই ছিল হুজুরের প্রতি মহব্বত ভালোবাসার চিহ্ন।

 

৫. আসলাহ বিন শুরাইক (রা)

উনার কাজ ছিল হুজুর যখন কোথাও সফরে বের হতেন সওয়ারির সিট হযরত আসলাহ বিন শুরাইক বেঁধে দিতেন, একদিন ভোর রাতে হুজুর সফরে বের হওয়ার কথা হযরত আসলাহ বিন শুরাইক অপবিত্র অবস্থায় ছিলেন তাই শীতের রাতে পানি গরম করে গোসল সেরে হুজুরের দরবারে গিয়ে দেখেন হুজুরের কাফেলা বের হয়ে গেছে, হযরত আসলাহ দ্রুত ঘোড়া দৌড়িয়ে হুজুরের পাশে পৌঁছলেন হুজুর আসলাহকে দেখে মুচকি হাসলেন আর বললেন আসলাহ আজ আমার সওয়ারির সিট তুমি বাঁধনি মনে হয়, তখন আসলাহ বলল এয়া রাসুলাল্লাহ আমি পবিত্র ছিলামনা তাই পবিত্রতা অজন করতে দেরী হয়ে গেছে, আর আমি পছন্দ করিনা আপনার সওয়ারীর সিটটা আমি অপবিত্রতা অবস্থায় ধরি। সুবহানাল্লাহ

সাহাবায়ে কেরাম এর হুজুরের ইজ্জত সম্মান মহব্বতের রং রূপ এমনই ছিল।


কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.