আসরের পর কিছু খেলে কি হয়? Jaalhaq Sawal Jawab| মাসায়ালা| প্রশ্নোত্তর
আজ ২টি
প্রশ্নের উত্তর দিব
প্রথম প্রশ্ন হল- অনেকে বলে- কেহ যদি ধন দৌলতের দিক থেকে কোন পেরেশানিতে
থাকে অভাব অনটনে পরে যায় তাহলে এটা তার গুনাহের শাস্তি, আবার কেহ যদি খুব
স্বচ্ছলতার সাথে দিনাতিপাত করে তাহলে তাকে আল্লাহর মাহবুব নেককার বান্দা মনে করে।
এ কথাটি কতটুকু সঠিক?
মনে রাখবেন যদি কোন নেককার গরীব লোক কোন বিপদে পতিত হন, মসিবতে গ্রেফতার
হয়ে যান, তাহলে সে এই বিপদে গুনাহের কারনে পতিত হয়নি বরং আল্লাহ সে বান্দাকে প্রিয়
বান্দা হিসেবে কবুল করেছেন তাই এমন পরীক্ষার সম্মুখিন করেছেন। কেননা নবী করিম (দ)
এরশাদ করেন আল্লাহ তায়ালা যখন কাউকে নিজের প্রিয় বান্দা বানিয়ে নেন তখন তার জন্য
পরীক্ষার দরজাসমুহ খুলে দেন,
আর যদি সে গরীব লোক গুনাহগার হয় আর তখন যদি তার উপর কোন মসিবত আসে তাহলে
বলতে পারেন এটা তার গুনাহের সাজা।
আর যদি কোন ধনী লোক হয় আর সে নিজের সম্পদ থেকে জাকাতের পাশাপাশি অকাতরে
দান করে, হক পন্থায় পয়সা কামাই রোজগার করে এবং সে নেককার পরহেযগার লোক হয় আর
আল্লাহর শোকরও আদায়কারী হয় সে ধরনের লোকের উপর যদি কোন পেরেশানি আসে সেটা কোন
গুনাহের সাজা নয় বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা। আর তার নেক আমলের সাথে সাথে যদি
তার সম্পদ বৃদ্ধি পায় তাহলে সেটা আল্লাহর শোকর আদায়ের ফলে আল্লাহ তাকে নেয়ামত
বৃদ্ধি করে দিচ্ছেন।
কিন্তু সে ধনী যদি নাফরমানি বেশী করে, গুনাহ করে, চিটিং করে, আল্লাহর শোকর
না করে, কিন্তু তবুও যদি তার মাল সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে মনে রাখবেন এটা তার
জন্য কখনো নেয়ামত নয় বরং এমন নেয়ামত আল্লাহ দিতে থাকেন যেন সে একদম আল্লাহর প্রতি
গাফেল হয়ে যায়, এবং হেদায়েত নসিব না হয় এবং পরীনতিতে সে দুনিয়াতেও ধ্বংস আখেরাতও
বরবাদ হয়ে যায়।
২য় প্রশ্ন আসর থেকে মাগরীব কিছু খেলে কি হয়?
লোকদের মাঝে একটি কথা প্রচলিত আছে যে আসরের পর মাগরীবের আগ পর্যন্ত কিছু
খাওয়া যাবেনা, কিছু পানও করা যাবেনা, আসর থেকে মাগরীব পর্যন্ত সময়টাকে অনেকে রোজা
বলে থাকেন।

কোন মন্তব্য নেই