জীবনে ১টি অভ্যাস দুর করুন সফল হয়ে যাবেন।দুনিয়া আপনার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। S...
একটি অভ্যাস দুর করলেই সফলতার উচ্চ শিখরে
পৌঁছতে পারবেন
আজকের বিষয়টি
আপনার জীবন ধারা পাল্টে দিতে পারে, প্রথমে একটা উদাহারন দিই, ধরুন আপনি লন্ডন থেকে
৩০ ঘন্টা ফ্লাইটে সফর করে দেশে আসছেন, আর ফ্লাইটে বসে বসে আপনি প্ল্যান করলেন আপনি
৩০ ঘন্টা সফরের কারনে ক্লান্ত হয়ে যাবেন তাই আপনি দেশে গিয়ে সোজা ঘরে যাবেন তারপর ৮/৯
ঘন্টার আরামছে ঘুমাবেন,
এখন আপনি যখন
এয়ারপোট নামলেন তখন বাহিরে বের হয়ে শুনতে পেলেন আপনার স্ত্রী খুব অসুস্থ, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছে, এখন আপনি কি আপনার ক্লান্তি দুর করার জন্য প্রথমে ঘরে গিয়ে ৮/৯ ঘন্টা
ঘুমাবেন নাকি সোজা হসপিটালে চলে যাবেন?
আমি জানি আপনাদের
সকলের উত্তর হবে হসপিটালে চলে যাবেন, স্ত্রীর অসুস্থতার কথা শুনে আপনার সকল ক্লান্তি
দুর হয়ে যাবে, অলসতা দুর করে আপনি বিশ্রামের পরোয়া না করে হসপিটালে চলে যাবেন, কারন
আপনার মনে স্ত্রী বা আপনজনকে হারানোর যে ভয় সে ভয়টা জাগ্রত হওয়ার কারনে আপনার মন থেকে
শরীর থেকে ক্লান্তি ও অলসতা দুর হয়ে গেছে। এই ঘটনা থেকে বুঝা গেল স্ত্রীকে হারানোর
ভয় ও অনুভুতি আপনাকে সজাগ করে দিয়েছে,
সাহাবাগন এই জন্য
সজাগ ছিল, পরিশ্রমি ছিল অলস ছিলনা কারন তারা উম্মতে মুসলিমার বরবাদি দেখছিল, সে জন্য
রাতে তাদের চোখে ঘুম ছিলনা, আজ মুসলমানদের থেকে এই জজবা এই অনুভুমি মরে গেছে, আজ মুসলমান
কউম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তবুও মুসলমানদের খবর নাই ফলে সকলেই অলস দিন কাটাচ্ছে, যদি মুসলমানদের
মনে এই জজবা এই অনুভুতি জাগ্রত হয়ে যায় তাহলে মুসলমানের সকল অলসতা ক্লান্তি দুর হয়ে
যাবে। ধ্বংস হয়ে যাওয়ার এহসাস অনুভুতি নিজের ভিতর সৃষ্টি করুন। আজ উম্মতে মুসলিমা ধ্বংস
হয়ে যাচ্ছে। ছোট ছোট মামলায় মুসলমান মার খাচ্ছে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের কারো
মনে এই কউমকে জিন্দা করার এই কউমকে বাঁচিয়ে রাখার কোন চিন্তা কোন ফিকির নাই।
আজ প্রতিটি ট্রাফিক
মোড়ে মোড়ে আমার মুসলমান কউমের বাচ্চারা ভিক্ষার
হাত বাড়াচ্ছে, আমাদের এর কোন চিন্তাই নাই,
আপনাদের কাছে
আমি একটি প্রশ্ন করি , আপনারা কি দুনিয়ার কোন জায়গায় গিয়ে সফরে গিয়ে কোন শিখের ছেলে
মেয়েকে ভিক্ষা করতে দেখেছেন? আমি অনেক দেশে সফর করেছি কিন্তু কোথাও আমি শিখদের ভিক্সা
করতে দেখিনি, আমি সাদা চামড়ার লোকদের রাস্তার পাশে বসে বসে জব লেস বেনার লাগিয়ে ভিক্ষা
করতে দেখেছি, কিন্তু কোন শিখকে আমি ভিক্ষা করতে দিখিনি, এর কারন হল শিখদের মধ্যে তাদের
জাতিকে জিন্দা করার জজবা ও এহসাস ভরপুর,
পক্ষান্তরে আমাদের
মুসলমানদের অবস্থা হল তারা একে অপরের সাথে কাবাডি খেলায় লিপ্ত, কেউ তরক্কী করতে দেখলে
তাকে পা ধরে টান দিবে যাতে সে তরক্কী করতে না পারে উন্নতি করতে না পারে। সকল মুসলমান
েএকে অপরের সাথে মিলে এই জাতিতে উন্নত করার জজবা রাখে না।
আজ গোটা মুসলমান
জাতি অলস জাতি হিংসুক জাতিতে পরিণত হতে চলেছে, হুযুর (দ) বারেগাহে ছমদিয়তে দোয়া করলেন
(আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাছি) ছরকারে দোআলম অলসতা থেকে পানাহ
চাইতেন, পক্ষান্তরে আজকের মুসলমান অলসই অলস।
আজ মুসলমানরা
যদি এই কউমকে বাঁচানোর জন্য সকলে মিলে জেগে না উঠে অলস পড়ে থাকে, এই জাতিকে টিকিয়ে
রাখার চেতনা যদি মুসলমানদের মধ্যে তৈরী না হয় তাহলে এই জাতির জন্য খবর আছে। আল্লাহ
প্রত্যেক মুসলমানদের মধ্যে নিজ কউমকে জিন্দা রাখার টিকিয়ে রাখার জজবা বা চেতনা সৃষ্টি
করে দিন আমিন।

কোন মন্তব্য নেই