দাওয়াত ও আতিথেয়তার ১০০টি ইসলামীক নিয়মনীতি Juma khutba | Islamic video ba...
দাওয়াত ও মেহমানদারী, অতিথিপরায়নতা
وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ
وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
তারা অন্তরে ঈর্ষাপোষণ
করে না এবং
নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও
তাদেরকে অগ্রাধিকার দান
করে।
যারা মনের কার্পণ্য
থেকে মুক্ত, তারাই
সফলকাম।
[ সুরা
হাশর ৫৯:৯ ]
-দাওয়াত কবুল করার মুসলমানের হক
হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله
عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " حَقُّ
الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ خَمْسٌ رَدُّ السَّلاَمِ، وَعِيَادَةُ الْمَرِيضِ،
وَاتِّبَاعُ الْجَنَائِزِ، وَإِجَابَةُ الدَّعْوَةِ، وَتَشْمِيتُ الْعَاطِسِ
"
‘এক মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের পাঁচটি হক রয়েছে। এক. সালামের উত্তর দেয়া। দুই. হাঁচি দিয়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়লে তার জবাবে يرحمك الله বলা। তিন. কোনো মুসলমান মারা গেলে তার জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া। চার. অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া। পাঁচ. দাওয়াত দিলে কবুল করা। (বুখারী, হাদীস নং-১১৬৮, মুসলিম, হাদীস নং-৪০২২)
দাওয়াত কবুল করার উদ্দেশ্য:
আমার ভাই দাওয়াত দিয়েছে, আমাকে মহব্বত করে বিধায় আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সুতরাং তার মহব্বতের কদর করা চাই। দাওয়াত কবুল করা সুন্নত এবং সওয়াবের কাজ। এ ধরণের নিয়ত করে দাওয়াত কবুল করবে। আয়োজন ভালো হলে কবুল করবে অন্যথায় নয়; এরূপ যেন না হয়। মুসলমানের অন্তর খুশি করার নিমিত্তে দাওয়াত কবুল করা চাই।
হাদিস শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله
عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ دُعِيتُ إِلَى
ذِرَاعٍ أَوْ كُرَاعٍ لأَجَبْتُ، وَلَوْ أُهْدِيَ إِلَىَّ ذِرَاعٌ أَوْ كُرَاعٌ
لَقَبِلْتُ "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আমাকে হালাল পশুর পায়া বা হাতা খেতে আহবান করা হয়, তবু তা আমি গ্রহণ করব আর যদি আমাকে পায়া বা হাতা হাদিয়া দেওয়া হয়, তবে আমি তা গ্রহণ করব। (বুখারী ২৩৯৮)
বর্তমানে যদিও পায়া খাওয়ার নিমন্ত্রনকে
উন্নত দাওয়াত মনে করা হয়; কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাই ওয়াসাল্লামের
যুগে এটি ছিলো নিতান্ত এক মামুলি বিষয়। অতএব নিমন্ত্রণকারী একজন গরিব মুসলমান হলেও এ নিয়তে কবুল করবে যে, সে আমার ভাই। তার অন্তরকে আনন্দিত করা চাই। ধনী-গরীবে ভেদাভেদ করা কখনো উচিত নয়। বরং গরীব মানুষই অধিক অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।
ডাল ও সুকনো খাবারে নূরের জ্যোতি:
ঘটনা- এক জায়গায় একজন ঘাস বিক্রেতা ছিলেন। ঘাস কেটে বাজারে বিক্রি করতেন, এর মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করতেন। এক সপ্তাহে তিনি ছয় পয়সা কামাতেন। সংসারে তিনি একাই ছিলেন। তাই ওই ছয় পয়সাকে ভাগ করতেন এভাবে- দুই পয়সা দিয়ে নিজের জন্য খাবার কিনতেন। দুই পয়সা দান করে দিতেন। অবশিষ্ট দুই পয়সা নিজের কাছে জমা রাখতেন। এক মাস পর যখন কিছু পয়সা জমা হত, তখন এক মাদ্রাসার
যেসব বুযুর্গ আলেম ছিলেন তাদের দাওয়াত করতেন। দাওয়াতে সাধারণ আতপ চাল রান্না করতেন এবং ডাল পাকাতেন। এ দিয়েই পরিবেশন চলত। সে মাদ্রাসার বুযুগ আলেম বলতেন, পুরো মাস আমরা এই লোকের দাওয়াতের অপেক্ষায় থাকতাম। কারণ এ লোকের সাধারণ আতপ চাল এবং পাতলা ডালের মধ্যে যে নূর অনুভব করতাম, সে নূর পোলাও-বিরানীর শানদার দাওয়াতেও অনুভব হত না।
দাওয়াত না দুশমনি:
বর্তমানে আমাদের দাওয়াত নিছক প্রথায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন রুসমকে উপলক্ষ্য করে আমরা দাওয়াত করে থাকি। ফলে দাওয়াত গ্রহণ করাও মসিবত, না করা আরেক মসিবত। দাওয়াত যেন আপদে পরিণত না হয়। যেমন, আমাদের মধ্যে অনেকে এরূপ করে থাকেন যে, অমুককে দাওয়াত দিতেই হবে। এ প্রবণতায় তিনি চালিত হন। সেই ‘অমুকে’র হাতে সময় আছে কি নেই এটা যেন এক গৌণ বিষয়। দাওয়াত কবুল করার জন্য খুব পীড়াপীড়ি করা হয়। যেন দাওয়াতে আসতেই হবে, মসিবতের ঝড় বয়ে গেলেও কবুল করতেই হবে। মূলত: এটা দাওয়াত নয়; বরং শত্রুতা। যদি দাওয়াতের মাধ্যমে মহব্বত প্রকাশ করতে চাও, তাহলে তার আরামেরও খেয়াল রাখতে হবে। তার সময় ও সুযোগের অপেক্ষা করতে হবে। অন্যথায় ‘দাওয়াত’ মসিবতে পরিণত হবে।
বতমান যুগে ওলামায়ে
কেরাম
বলেন দাওয়াত ৩ প্রকার
দাওয়াত তিন
প্রকার। সর্বোত্তম
দাওয়াত, মধ্যম দাওয়াত
এবং নিম্নস্তরের দাওয়াত। চলমান পরিবেশের জন্য প্রযোজ্য সর্বোত্তম দাওয়াত হলো, যাকে দাওয়াত দেয়া হবে, সোজা তার কাছে চলে যাবে এবং নগদ কিছু হাদিয়া দিয়ে দেবে। নগদ হাদিয়া পেশ করার পর তাকে অধিকার দেবে যে, ইচ্ছা করলে তিনি হাদিয়াটা যেমনিভাবে খানার জন্য ব্যয় করতে পারেন, তেমনিভাবে অন্য প্রয়োজনেও ব্যয় করতে পারেন। এতে তার ফায়দা বেশি হবে। চিন্তা ও বিড়ম্বনা থেকে তিনি নিশ্চিন্ত থাকবেন। আসতে চাইলে প্রশান্ত মনে আসতে পারবেন। বিধায় এ দাওয়াতই হলো সর্বোত্তম দাওয়াত।
মধ্যস্তরের দাওয়াত:
খানা পাকিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হলো মধ্যম স্তরের দাওয়াত। এটি প্রথম স্তরভুক্ত এজন্য নয় যে, যেহেতু এ দাওয়াতে শুধু খানার বিষয় বর্তমান। এছাড়া অন্য কোনো অধিকার বর্তমান নেই। তবে খানা ঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে এবং দাওয়াত গ্রহণকারী ব্যক্তি যাওয়ার কষ্ট থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছে। তাই এটি মধ্যম স্তরের দাওয়াত।
নিম্নমানের দাওয়াত:
ঘরে ডেকে খানা খাওয়ানো হলো নিম্নমানের দাওয়াত। বর্তমানে মানুষ খুবই ব্যস্ত। ব্যস্ত শহর এবং ব্যস্ত জীবন। এ ক্ষেত্রে দূরত্ব যদি অধিক হয়, তাহলে দাওয়াত খাওয়ার জন্য একজন মানুষকে দু’চার ঘণ্টা ব্যয় করতে হয়। তাহলে আমন্ত্রিত ব্যক্তির জন্য এটা এক প্রকার বিড়ম্বনা নয় কি? স্বাচ্ছন্দবোধের পরিবর্তে তিনি কষ্ট ওঠালেন। অথচ দাওয়াতের উদ্দেশ্য তো কষ্ট দেয়া নয়, বিধায় এটি সবচে’ নিম্নমানের দাওয়াত।
জিয়াফতের নিয়ম- অনেকে মা বাবার জন্য প্রতিবছর জিয়াফত
করেন গরু জবাই করেন অসংখ্য লোককে দাওয়াত করেন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও আত্মিয়তা ঠিক
রাখার জন্য সকলেই সে জিয়াফতে অংশ গ্রহণ করে আর এই ১ বেলা খাবার জন্য অনেক দুর থেকে
গাড়ি ভাড়া দিয়ে আসা সাথে নাস্তা পানি সব মিলিয়ে ২/৩ হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়, এইযে
আপনার দাওয়াত খেতে এসে বেচারার ২/৩ হাজার টাকা খরচা হয়ে গেল। এটা কেমনতর দাওয়াত
হল? উত্তম হল আপনি খাবার তৈরী
করে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিবেন এটাই হল উত্তম পদ্ধতি।
বিয়ের দাওয়াত- এটাতো আরো বড় মসিবত,
১দিন বরের মেহেদী নাইট, ২য় দিন কনের মেহেদী নাইট ৩য় দিন বিয়ে, ৪থ দিন ওলিমা। আর
এখন এসব অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে সময়ও নষ্ট টাকাও নষ্ট। আর গিফটটাও দিতে হবে
আনকমন আর অনেকে আছেন বেয়াই বাড়ীর এমন দাওয়াত খেতে ধার কজ করতে হয়। এই দাওয়াত রহমত
নয় বরং গযব।
১২০০ বরাইত- বিয়ে হবে কনেকে নিয়ে
যাবে জামাই বাবু ওলিমা করে মানুষকে দাওয়াত খাওয়াবে এটাই হল সুন্নত। কিন্তু এখন
বিয়ের আগে বর পক্ষ কনে পক্ষকে বলবে আমরা ১২০০ জন আসব, বেচারা কনের পক্ষ এই ১২শ
জনের চাপে ১৩শ জনের কাছে হাত পাততে হয়। আর আমরা সে বরাইত খেয়ে মহা খুশী যে দাওয়াত
খেয়ে আসছি।
হুজুর (দ) ও যয়নাব (রা) এর
বিয়ের ওলিমার ঘটনা- হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন যেদিন হুজুর (দ) হযরত যয়নাব (রা) কে
বিবাহ করলেন তখন আমার মা উম্মে সুলাইম হাইছা নামক একটি হালওয়া তৈরী করলেন একটি
প্লেটে সে হাইছা রাখলেন (ফাকালা এয়া আনাস ইজহাব বিহাজা ইলা রাসুলিল্লাহ) হে আনাস
এগুলি রাসুলিল্লাহ (দ) এর কাছে নিয়ে যাও। আর গিয়ে বলবে হুজুর এসব আমার মা
পাঠিয়েছেন। আর হুজুরকে আমার সালামও পৌঁছাবে।
হযরত আনাস বলেন আমি এই অল্প হালওয়া হুজুরের কাছে নিয়ে গেলাম হুজুর (দ) তা
গ্রহণ করলেন আর আমাকে বললেন (ইজহাব
ফাদউলি ফুলানান ফুলানান ওয়া ফুলানান) যাও অমুক অমুককে ডেকে আন (ওয়াদউলি মান লামিতা) আর যার সাথেই
সাক্ষাৎ হয় তাকেও আমার দাওয়াত দিবে।
আমি বের হয়ে যার যার নাম বলেছেন সকলকে বললাম এবং যার সাথেই সাক্ষাত হল তাকেও
বললাম আমি যখন ফিরে আসলাম তখন হুজুরের ঘর ভর্তি হয়ে গেল। সেখানে লোক সংখ্যা হবে (জুহাও ছালাছু মিয়া) প্রায় ৩০০ জনের মত
হবে।
আনাস বলেন আমিন দেখলাম হুজুর (দ) সে হালওয়ার উপর নিজের বরকতময় হাত রাখলেন
এবং হুজুর (দ) তখন আল্লাহ যা চান তা পাঠ করলেন।
এরপর ১০ জন করে করে ডাকা হল আর তাদের সে হালওয়া খেতে দেয়া হল। তাদেরকে বলা
হল আল্লাহর নাম নাও আর খেতে থাক।
হযরত আনাস বলেন (ফাআকুলু হাত্তা শাবেউ) সকলেই খেল আর
পরিতৃপ্ত হয়ে গেল। সকলেই দলে দলে এসে সে হালওয়া পেট ভরে ভরে খেল।
(ফাকালা লি এয়া আনাস ইরফা) হুজুর বললেন হে আনাস
এবার হালওয়া উঠাও, (ফারাফায়াতু) আমি সে থালা উঠালাম,
(ফামা আদরি হিনা উদিয়াত
আকসারা আম হিনা রুফিয়াত) আমি বুঝতে পারছিলাম না যখন আমি এই হালওয়ার থালা
রাখছিলাম তখন বেশী ছিল নাকি যখন ৩০০ শত জন খাওয়ার পর উঠাচ্ছিলাম তখন বেশী।
-হুজুর (দ) হযরত ছাফিয়াহ
(রা) এর বিয়ের পর ৩ দিন যাবৎ ওলীমা খাইয়েছিলেন।
(মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস নম্বর-৩৮৩৪)
-ওলিমা কখন
করবেন? বিয়ের পর ছেলের পক্ষে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গরিব-মিসকিনদের তৌফিক অনুযায়ী আপ্যায়ন করাকে ‘ওয়ালিমা’ বলে। বাংলায় ওয়ালিমাকে বউভাত বলা হয়ে থাকে। বিয়ের পরদিন বা পরবর্তী সময়ে সুবিধামতো নিকটতম সময়ের মধ্যে ওয়ালিমা করা বিধেয়। তবে তিন দিনের মধ্যে করা উত্তম। যেকোনো প্রকার খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ওয়ালিমা করা যায়। ওয়ালিমা একটি ইবাদত। এক দিন ওয়ালিমা করা সুন্নত, দুই দিন ওয়ালিমা করা মুস্তাহাব, তিন দিন ওয়ালিমা করা জায়েজ। (মুসলিম: ১৪২৭)।
-ওলিমা কি দিয়ে
করবেন- হজরত আনাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) আবদুর রহমান ইবনে আওফের গায়ে হলুদ রঙের চিহ্ন দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কী? তিনি বললেন, আমি এক খেজুর আঁটির ওজন স্বর্ণ দিয়ে একজন মহিলাকে বিবাহ করেছি। রাসুল (সা.) বললেন, ‘আল্লাহ তোমার বিবাহে বরকত দান করুক। একটি ছাগল দ্বারা হলেও তুমি ওয়ালিমা করো।’ (বুখারি: ৫১৫৫; মুসলিম ও মিশকাত, হাদিস নম্বর-৩২১০)।
-মেহমানের ফজিলত
১। ৪০ দিনের রিজিক- মেহমান আসার ৪০ দিন আগে মেজবানের ঘরে মেহমানের
রিজিক এসে যায়, অর্থ্যাৎ ৪০ দিন পর আপনার ঘরে যে মেহমান আসবে সে এক বেলা খাবে
কিন্তু তার বরকতে আপনি ৪০ দিন আগে রিজিক পাবেন।
ঘটনা-
এক ঘরে স্বামী স্ত্রী ঝগড়া শুরু হল, স্বামী স্ত্রীকে খুব বকা ঝকা করল, কিছুক্ষন পর
স্বামীর এক পরম আত্মিয় মেহমান হয়ে ঘরে আসল, সে তার আত্মিয়কে মেহমান খানায় বসাল এখন
যখন স্ত্রীকে গিয়ে বলল মেহমান এসেছে স্ত্রী বলল তোমার জন্যও খানা নাই তোমার
মেহমানের জন্যও আমি খাবার তৈরী করতে পারবনা।
এখন
স্বামী বেচানারা বড়ই মসিবতে কি করবে? সে দৌড়ে গেল পাশের বাড়ীতে এক প্রতিবেশীর কাছে
তাকে গিয়ে বলল আমার ঘরে মেহমান এসেছে আমার স্ত্রীও অসুস্থ আপনি যদি পারেন এ বেলার
খাবারটা মেহমানের জন্য তৈরী করে দেন।
সে
প্রতিবেশী স্বানন্দে মেহমানের জন্য খানা তৈরী করতে রাজি হয়ে গেল, এদিকে স্বামী ঘরে
এসে দেখে স্ত্রী জার কাতার কান্না করছে, স্বামী প্রশ্ন করল কি ব্যপার কাঁদছ কেন?
স্ত্রী জবাব দিল আমার আর আপনার ঝগড়া মেহমানের সাথেতো আমাদের কোন ঝগড়া নাই আর
মেহমান হল আল্লাহর রহমত আমি দেখলাম এক ধবধবে সাদা নুরানি লোক আমার ড্রাম থেকে আটা
নিয়ে যাচ্ছে আমি তাকে প্রশ্ন করলাম আপনি কে? সে বলল আমি হলাম ফেরেশতা তোমার ঘরে
মেহমানের জন্য ৪০ দিন আগে রিজিক দেয়া হয়েছে আজ তা পাশের প্রতিবেশীর ঘরে নিয়ে
যাচ্ছি।
২। মসিবত নিয়ে যায়- মেহমান যখন বিদায় নেয় তখন আপনার ঘর থেকে সব ধরনের
বলা মসিবত দুর হয়ে যায়।
হাদীসের
ঘটনা- এক মহিলা হুজুর (দ) এর কাছে এসে অভিযোগ করল এয়া রাসুলাল্লাহ (দ) আমার স্বামী
বেশী ঘরে মেহমান আনেন আমি মেহমানদের জন্য খানা তৈরী করতে করতে ক্লান্ত। যখনমহিলা
অভিযোগ করে চলে গেল হুজুর (দ) তার স্বামীকে ডাকালোন আর বললেন আমি আমি তোমার ঘরে
মেহমান হব, সে গিয়ে তার স্ত্রীকেবলল স্ত্রী হুজুর (দ) আসবেন শুনে খুব খুশী হল আর
অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে খোশ অন্তরে খাবার তৈরী করল আর মেহমানদারী করল, হুযুর (দ)
খাবার গ্রহণ করে যখন যাচ্ছেন তখন বললেন তোমার স্ত্রীকে বলবে আমি যখন তোমার ঘর থেকে
চলে যাব সে যেন আমার চলে যাওয়াটা দেখে, তারা স্বামী স্ত্রী হুজুরের চলে যাওয়া দেখল
আর তারা দেখতে পেল হুজুর (দ) এর পিছে পিছে তাদের ঘর থেকে নানা ধরনের বিপদ বলা
মসিবত দুঃখ পেরেশানি সাপ বিচ্চু কষ্টদায়ক প্রাণ বের হয়ে গেল। এই আশ্চয্য দৃশ্য
দেখে সে মহিলা বেহুশ হয়ে গেল যখন হুশ ফিরে আসল সে আবার হুজুরের কাছে গেলে হুজুর
(দ) বললেন যখন ঘরে কোন মেহমান আসে কেহ তার মেহমানদারী করেিআর সে মেহমান যখন চলে
যায় তখন তার সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালা সব ধরনের বলা মসিবত কষ্টদায়ক প্রাণীকে দুর
করে দেন এবং ঘরবাসীকে নিরাপত্তা দান করেন।
৩। নবজাতকের মত- হুযুর (দ) এরশাদ করেন যে কারো এমন মেহমানদারী করল যার ফলে মেহমান
একদম অন্তর থেকে খুশি হয়ে গেল, সে মেজবান মেহমানদারী করার কারনে গুনাহ থেকে এমন
পাক ও সাফ হয়ে যায় যেন এখনই মায়ের পেট থেকে জন্ম গ্রহণ করেছে
৪। হযরত আলীর কান্না মেহমান আসেনা- একদিন হযরত আলী (রা) মসজিদের নববীতে বসে বসে
কান্না করছেন তখন এক সাহাবী প্রশ্ন করল হে আলী তুমি কাঁদছ কেন? তখন হযরত আলী (রা)
জবাব দিলেন আমি এই জন্য কাঁদছি গত এক সপ্তাহ যাবৎ আমার ঘরে কোন মেহমান আসেনি আমি
ভাবছি আল্লাহ হয়ত আমার উপর নারাজ হয়ে গেছেন। কেননা আল্লাহ যার উপর নারাজ হয়ে যান
তার ঘরে মেহমান আসা বন্ধ করে দেন।
আমাদের
ভাবনা হল মেহমান যত কম আসে ততই মঙ্গল।
স্ত্রীর আত্মিয় বনাম স্বামীর আত্মিয়- আমাদের মা বোনেরা মেহমানের ফজিলত জানে না তাই
তারা মেহমানের ব্যপারে পার্থ্যক্য করে ফেলে অনেক মহিলা এমন যদি তার বাপের বাড়ী
থেকে আসে তখন সব কিছু করতে রাজি কিন্তু যখন স্বামীর বাড়ী তেকে কেহ আসে তখন নানা
বাহানা করে মাথা ব্যথা কোমর ব্যথা বেড়ে যায়।
ঘটনা- এক মহিলা তার মা আসলে অনেক যত্ন সহকারে রান্না বান্না করে কিন্তু
স্বামীর মা আসলে রান্না বান্না করতে চায় না, একদিন স্বামী স্ত্রীকে বলল আজ মা
আসবে, স্ত্রী মনে করল স্বামীর মা আসবে তাই সে বলল তুমি দোকান থেকে খাবার কিনে
আনিও, স্বামী বউ এর কথা মত দোকান থেকে
খাবার নিয়ে আসল এদিকে কিছুক্ষন পর দেখা গেল মহিলার মা এসে হাজির, মহিলা প্রশ্ন করল
মা তুমি আসবে আমাকে বলনি কেন? সে বলল আমি জামাইকে ফোন করে বলেছি, তখন মহিলা
স্বামীকে বলল আপনি আমাকে আমার মা আসবে বলেননি কেন? স্বামী জবাব দিল আমিতো বললাম মা
আসবে, আর তুমিইতো বললে দোকান থেকে খাবার কিনে আনতে। স্ত্রী বলল আমার মা বাবা আসবে
বলতে আমি ঘরে খানা রেডি করতাম। তখন স্বামী বলল যদি আমার মা বাবা হোটেলের খাবার
খেতে পারে তাহলে তোমার মা বাবা পারবেনা কেন? এই হল ঘরসমুহের অবস্থা।
৫।
মেহমান দেখলে খুশি মনে রেসপন্স করা- হাদীস- হুযুর (দ) এরশাদ করেন যে ব্যক্তি নামাজ পড়ে,
যাকাত আদায় করে আর হজ্ব ফরয হলে হজ্ব করে আর যখনই মেহমান আসে তাকে খুশি মনে
মেহমানদারী করে কেয়ামতের দিন সে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে চায় সে দরজা দিয়ে প্রবেশ
করতে পারবে।
সে
জন্য যখনই মেহমান আসবে প্রশান্ত মনে হাসি মুখে মেহমানদারী করা জান্নাতে যাওয়ার সহজ
একটি আমল।
৬। মেহমাদারী প্রথম শুরু করেন হযরত ইবরাহিম (আ)- শোয়াইবুল ইমানের হাদীস হযরত ইবরাহিম (আ) এক
ওয়াক্ত খাবারও মেহমান ছাড়া খেতেন না এমনও হত যখন কোন মেহমান পেতেন না তিনি রুটি
খেতেন না।
-মুশরিক মেহমান ও হযরত ইবরাহিম (আ): একদিন মেহমান তালাশে হযরত ইবরাহিম (আ) ঘর থেকে
বের হলে গেলেন অনেক তালাশ করার পর একজন মেহমান পেলেন তাকে নিয়ে ঘরে আসলেন আর গরম
গরম গোস্ত আর রুটি পেশ করলেন খাবার আগে হযরত ইবরাহিম (আ) তাকে বিসমিল্লাহর তলকিন
করল সে বলল আমি মুশরিক আমিতো আল্লাহকে মানিনা, তখন হযরত ইবরাহিম (আ) বললেন তাহলে
আমিও তোমাকে খেতে দিব না, সে ঘরে থেকে চলে গেল আর এদিকে হযরত জিবরিল অহি নিয়ে আসল,
আল্লাহ পয়গাম পাঠাল হে ইবরাহিম আমার এই বান্দা ৭০ বছর আমাকে অস্বীকার করে এসেছে
আমি তার রিজিক বন্ধ করিনি আর তুমি মাত্র ১ ওয়াক্ত আমার নাম না নিল না তাই তাকে
খেতে না দিয়েই বের করে দিলে? একথা শুনে হযরত ইবরাহিম দৌঁড় দিলেন আর সে মুশরিককে
গিয়ে সরি বললেন আর খাবার খেতে ডাকলেন সে বলল আমি বিসমিল্লাহ বলতে পারবনা, হযরত
ইবরাহিম (আ) বললেন বলতে হবেনা তুমি আস খেতে আস।
কিন্তু মুশরিক জানতে চাইলো তুমি কিছুক্ষন আগেও আমাকে বিসমিল্লাহ ছাড়া খেতে
দাওনি এখন কি হল আবার ডাকছ? তখন হযরত ইবরাহিম বললেন আমার রব আল্লাহই আমাকে বলেছেন
তোমাকে মেহমানদারী করতে, তখন সে মুশরিক একথা শুনে বিষ্মীত হলেন যে রবের আমি
নাফরমানি করি সে রব আমার মেহমানদারী করার জন্য আপনার মত নবীকে আদেশ দিয়েছেন, িএকথা
বলে সে নিজের ভুল বুঝতে পারল আর হযরত ইবরাহিমের হাতে ইসলাম কবুল করে নিল।
-ফেরেশতা মেহমান ও হযরত ইবরাহিম (আ):আল্লাহ তাআলা হজরত ইব্রাহিম (আ.)–এর কাছে পুত্র হজরত ইসহাক (আ.)–এর জন্মের সুসংবাদ ও তাঁর বংশে হজরত ইয়াকুব (আ.)–এর আগমনের বার্তা নিয়ে কয়েকজন ফেরেশতাকে মেহমানরূপে পাঠিয়েছিলেন। এবং তিনি গরু জবাই করে তাঁদের জন্য মেহমানদারির আয়োজন করেছিলেন। এই বিষয় কোরআন মাজিদে এসেছে
وَنَبِّئْهُمْ عَن ضَيْفِ
إِ بْراَهِيمَ
আপনি তাদেরকে ইব্রাহীমের মেহমানদের অবস্থা শুনিয়ে দিন। [ সুরা হিজর ১৫:৫১ ]
إِذْ دَخَلُواْ عَلَيْهِ
فَقَالُواْ سَلامًا قَالَ إِنَّا مِنكُمْ وَجِلُونَ
যখন তারা তাঁর গৃহে আগমন করল এবং বললঃ সালাম। তিনি বললেনঃ আমরা তোমাদের ব্যাপারে ভীত। [ সুরা হিজর ১৫:৫২ ]
قَالُواْ لاَ تَوْجَلْ
إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلامٍ عَلِيمٍ
তারা বললঃ ভয় করবেন না। আমরা আপনাকে একজন জ্ঞানবান ছেলে-সন্তান ের সুসংবাদ দিচ্ছি। [ সুরা হিজর ১৫:৫৩ ]
৭। ভাই
ও বোন একই রহম কৃপন ও দয়ালু-
হযরত হাশেম (রহ) বলেন আমি একদিন এক সফরে বের হলাম রাস্তায় ক্ষিধে লাগলে দেখলাম
রাস্তার পাশে এক তাঁবু আমি সেখানে গিয়ে কিছু খাবার চাইলাম তখন তাঁবুর মধ্যে এক
মহিলা ছিল সে খুব শানদার খাবার পেশ করল যখনই আমি খেতে বসলাম তখনই তার স্বামী এসে
গেল দেখলো এক মেহমানকে তার স্ত্রী খাবার
পরিবেশন করেছে, সে তাবুতে গিয়ে স্ত্রীকে বকা দিতে লাগল, তুমি মেহমানকে খাবার দিয়ে
দিয়ে আমাকে ফকির বানিয়ে দিবে। হযরত হাশেম
বলেন আমি তাদে রস্বামী স্ত্রীর ঝগড়া শুনে না খেয়ে চলে গেলাম, কিছুদুর গিয়ে আরো
একটি তাবু দেখতে পেলাম সেখানে গিয়ে দেখলাম এক মহিলা তাকে নিজের ক্ষধার কথা বললে সে
বলল যাও যাও এটাকি হোটেল নাকি দুর দুর করে মেহমানকে তাঁড়িয়ে দিল, এমন সময় সে
মহিলার স্বামী এসে দেখে এক লোক চলে যাচ্ছে সে তাকে ডাক দিল আর বসাল সুন্দর করে
খাবার পানি দিয়ে শানদার মেহমানদারী করলা, তখন সে মেহমান হাসতে লাগল লোকটি প্রশ্ন
করল আপনি হাসছেন কেন? সে জবাব দিল সামনে এক তাবুতে আপনার মত দয়ালু এক মহিলা দেখেছি
আর আপনার স্ত্রীর মত কৃপন এক পুরুষ দেখেছি, তখন সে জবাব দিল আগের তাবুতে যে দয়ালু
মহিলাটি দেখেছ সে হল আমার বোন আর সেখানে যে কৃপন লোকটি দেখেছ সে হল আমার স্ত্রী
ভাই।
মনে রাখবেন আল্লাহ তায়ালা কসম করে বলেন কৃপন লোক
জান্নাতুল ফেরদৌসে যাবেনা।
কৃপনতার
ক্ষতি- কুরআনে অসংখ্য আয়াত ও অসংখ্য হাদীসে কৃপণতা চরম ক্ষতির কথা বয়ান আছে শুধু
সুরা আল ইমরানের ১৮০ নং আয়াতেই তার সামান্য আভাস পাওয়া যায় যেমন আল্লাহ তায়ালা
বলেন-
وَلاَ
يَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمُ اللّهُ مِن فَضْلِهِ هُوَ
خَيْرًا لَّهُمْ بَلْ هُوَ شَرٌّ لَّهُمْ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُواْ بِهِ
يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلِلّهِ مِيرَاثُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَاللّهُ بِمَا
تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
আল্লাহ তাদেরকে নিজের অনুগ্রহে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপণতা করে এই কার্পন্য তাদের জন্য মঙ্গলকর হবে বলে তারা যেন ধারণা না করে। বরং এটা তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর প্রতিপন্ন হবে। যাতে তারা কার্পন্য করে সে সমস্ত ধন-সম্পদকে কিয়ামতের দিন তাদের গলায় বেড়ী বানিয়ে পরানো হবে। আর আল্লাহ হচ্ছেন আসমান ও যমীনের পরম সত্ত্বাধিকারী। আর যা কিছু তোমরা কর; আল্লাহ সে সম্পর্কে জানেন। [ সুরা ইমরান ৩:১৮০ ]
৮।হাদীস
দস্তারখানা ও ফেরেশতাদের দোয়া- মেহমানদারির ফজিলত বর্ণনা করে রাসুলে আরাবি ঘোষণা দেন যে, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত
মেহমানের সামনে দস্তরখানে খাবার পরিবেশন করা থাকে; ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতারা মেজবানের
জন্য আল্লাহর রহমতের দোয়া করতে থাকেন।’
>>>>>>>>>মেহমানের আদব<<<<<<<<<<<
# ৩দিন ৩ রাত- মেহমানের হক বা অধিকার হলো ৩টি। তাহলো-
- এক দিন এক রাত মেহমানদারি করা ওয়াজিব।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন মেহমানদারি করা মুস্তাহাব।
- তৃতীয় দিনের পর মেহমানদারি করা সদকা বা অনুগ্রহ।
عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ،
قَالَ سَمِعَ أُذُنَاىَ، وَوَعَاهُ، قَلْبِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم
يَقُولُ " الضِّيَافَةُ ثَلاَثَةُ أَيَّامٍ جَائِزَتُهُ ". قِيلَ
مَا جَائِزَتُهُ قَالَ " يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ
بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ،
আবূ শুরাইয়া আল খুযায়ী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার কান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষন করেছে, মেহমানদারী তিন দিন, সৌজন্যসহ। জিজ্ঞাসা করা হলো, সৌজন্য কি? তিনি বললেনঃ এক দিন ও এক রাত (বিশেষ আতিথেয়তা)। যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানের সম্মান করে
দাওয়াতের সংক্ষিপ্ত আদব
#দাওয়াত
যেই দিবে সুযোগ থাকলে কবুল করা সুন্নত
#
দাওয়াত দিয়ে দাওয়াতে আসতে বাধ্য করা যেমন উচিত নয়
#
কাউকে বাধ্য করে দাওয়াত নেয়াও উচিত নয়।
#
দাওয়াত যেন কারো জন্য মসিবত ও কষ্টের কারন না হয়।
#
কনে পক্ষ থেকে হাজার হাজার বইরাত দাবী করে খাওয়া এটা দাওয়াত নয় এটা জুলুম।
#
দাওয়াদ দাতা সামথ মোতাবেক যতটুকু সম্ভব খাওয়াবেন তাতেই শোকর আদায় করতে হবে, গরু,
খাসি, ইছা মাছ, রুপ চান্দা মাছ, এসবের ডিমান্ড করে খাওয়া কখনোই দাওয়াত হতে পারেনা।
#
বিয়েতে কনে পক্ষকে যেমন বর পক্ষ চাপ দেয় তেমনি সমাজের লোকেরাও অণ্যায় চাপ দেয়
অন্তত ঘর প্রতি ১জন করে খাওয়াতে হবে এসব দাওয়াতের শামিল নয় এসব হল জুলুম।
মেহমানের আদব
#কেহ মেহমান আসলে তাকে
হাসি মুখে মেহমানদারী করতে হবে।
# সামথ মোতাবেক ভালো
খাবার ভালো থাকার জায়গা দিতে হবে
# সর্বোচ্চ ৩ দিন মেহমান
হওয়া উচিত এর বেশী দিন থাকলে তারা যা খায় তাতেই সন্তষ্ট থাকা উচিত।
#মেহমানকে নিয়ে একসাথে
খেতে বসা উচিত।
#মেহমানকে নিজেদের অভাব
অভিযোগ প্রকাশ করা উচিত নয় এতে সে বিব্রত বোধ করবে]
#মেহমান এর রিযিজ আল্লাহ
৪০ দিন আগে মেজবানের ঘরে পাটিয়ে দেন
#মেহমান সন্তুষ্টচিত্তে
মেজবানের ঘর থেকে বিদায় নিলে মেজবানের ঘরের সকল বলা মসিবত দুর হয়ে যায়।

কোন মন্তব্য নেই