কোরআন এর মুজেজা ও ফেরাউন এর পাসপোর্ট (Passport) তৈরীর কারন Quran and Pha...
ফেরাউনের পাসপোর্ট ও কুরআনের মুযেজা
প্রাচীন মিশরের রাজাদের উপাধি ছিল ফেরাউন
পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ফেরাউন, যাকে মিশর সরকার পাসপোর্ট ইস্যু করেছে এবং পাসপোর্টে তার পেশা দেখানো হয়েছে একজন রাজা হিসাবে।
মিশরের এই রাজা ফেরাউন হযরত মুসা (আ) এর যুগে রাজত্ব করছিল, তার কাছে হযরত মুসা ও হারুন (আ) ইসলামের দাওয়াত নিয়ে যায় কিন্তু সে গাদ্দারি করে, নিজেকে খোদা দাবী করে, তার সে দাম্ভিকতার কারনে আল্লাহ তাকে যে শাস্তি দিয়েছেন তা সুরা ইউনুস এর ৯০ থেকে ৯২ নং আয়াতে বননা করেন
ফেরাউন সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু বরণ করে তার লাশ আল্লাহ তায়ালা মানুষের শিক্ষার জন্য সংরক্ষণের কথা বলেন যেমন আল্লাহ বলেন
فَالۡیَوۡمَ نُنَجِّیۡکَ بِبَدَنِکَ
لِتَکُوۡنَ لِمَنۡ خَلۡفَکَ اٰیَۃً ؕ وَ اِنَّ کَثِیۡرًا مِّنَ النَّاسِ عَنۡ
اٰیٰتِنَا لَغٰفِلُوۡنَ
আজ আমি তোমার দেহকে রক্ষা করব যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পার।’ অধিকাংশ মানুষই আমার নিদর্শনাবলী সম্পর্কে নিশ্চিতই উদাসীন
আল্লাহর এই বাণীর সাথে যদি আমরা ফেরাউনের সে মমিকে মিলিয়ে দেখি তাহলে বিষ্ময়ে হতবাক হতে হয়, কুরআন যে সত্য ইসলাম যে সত্য তা মেনে নিতে কারো কোন বাঁধা থাকার কথা নয়, কারন কুরআন বলছে আমি ফেরাউনের দেহকে রক্ষা করব আর বস্তবতাও তাই, আজও ফেরাউনের লাশ অক্ষতই রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
ফেরাউনের এই মমিটি একসময় মিশর থেকে ফ্রান্সে নেয়ার প্রয়োজন হল আর ফ্রান্সের নিয়মানুসারে জীবিত অথবা মৃত যে কোনো ব্যক্তি প্রবেশ করতে চাইলে অবশ্যই তার সঙ্গে বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে, আর মিশরীয় কর্তৃপক্ষ তিন হাজার বছর আগের মৃত ফেরাউনের নামে পাসপোর্ট তৈরি করে।
ফেরাউনের পাসপোর্ট বানানো হয় ১৯৭৪ সালে। তার নাম দেয়া হয় রেমিসেস ২। পাসপোর্টে ফেরাউনের জন্ম তারিখ দেয়া হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৩০৩ সাল এবং পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয় রাজা (মৃত)।

কোন মন্তব্য নেই