কুফুরির ওয়াসওয়াসা। কাজা নামাজ বসে পড়া। কাজা নামাজের সহজ নিয়ম Qaza namaz ...
কুফুরির ওয়াসওয়াসা। কাজা নামাজ বসে পড়া। কাজা নামাজের সহজ নিয়ম Qaza namaz ar
niom| Jaalhaq
ইন্ডিয়ার একভাই যার নাম আবদুস সামাদ তিনি বলেছেন অনেক বছর ধরে
নামাজের হালতে কুফুর ও শিরিকের প্ররোচনা বা শয়তানি ওয়াসওয়াসা আসে এ অবস্থায় করনীয় কি?
ভাই আবদুস সামাদ আপনাকে চিকিৎসা করা দরকার, যে কোন ঔষধের গায়ে
লেখা থাকে শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন, এটা হল মেডিকেল সাইন্সের ভাষা,
আর শরীয়তের আলোকে আপনার রোগের
ব্যপারে সুন্দর সমাধান কুরআন ও সুন্নাতে আছে যার খোলাসা হল- ওয়াসওয়াসাকে লিফট করাবেন
না, ওয়াসওয়াসা আসলে আসতে দিন, একে ভাগানোর চেষ্টাও করবেন না আবার একে ইচ্ছাকৃত নিয়েও
আসবেন না। তাহলে এটা অটোমেটিক খতম হয়ে যাবে।
দেমাগ থেকে কোন কিছু বের করার চেষ্টা করতে তা আরো বেশী দেমাগে
ঢুকে যায়। তাই খোদবখুদ আসলে আসতে দিন, আসলে জোড় করে ভাগানোরও চেষ্টা করার প্রয়োজন নাই,
বরং টেনশন না নিয়ে নামাজ জারি রাখুন নিশ্চয় ওয়াসওয়াসার সাথে আপনার নামাজ কবুল হবে।
আর ওয়াস ওয়াসার সাথে যে নামাজ
পড়ছেন তাতে আলাদা প্রতিদান পাবেন, আর কুফুরের ওয়াস ওয়াসা কুফুর হয়না, বরং হাদীসে একে
শক্ত ঈমানের আলামত বলে ঘোষনা করেছে। আর আপনি যে পেরেশান হচ্ছেন এর দ্বারা এটাই প্রমাণিত
যে আপনি সে কুফুরি ওয়াসওয়াসার জন্য খুশী নন। তাই টেনশন এর প্রয়োজন নাই, এটা নিয়ে বেশী
চিন্তা ও পেরেশান না হয়ে স্বাভাবিক ভাবে নামাজ চালিয়ে যেতে থাকুন শয়তান এমনিতেই ছেড়ে
চলে যাবে।
আরেক ভাই তার নাম মুহাম্মদ ইমরান
তিনি প্রশ্ন করেছেন কাজা নামাজ কি বসে বসে পড়া যাবে কিনা? কাজা নামাজের সহজ তরিকা কি?
যদি কাজা নামাজ অনেক বেশী হয় তাহলে তার কোন সহজ পদ্ধতি আছে কিনা?
হ্যাঁ জনাব ইমরান সাহেব মনে রাখবেন
ফরয নামাজ শরীয়ী ওজর ছাড়া বসে বসে পড়া জায়েজ নাই। যদি পড়ে নেন তাহলে নামাজ আদায় হবেনা।
তাই আপনাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়তে হবে।
আর কাজা নামাজ যদি বেশী হয় তা আদায় করার সহজ তরিকা হল,
#শুধু ফরয ও বিতিরের কাজা পড়বেন
#ছোট ছোট সুরা দিয়ে পড়বেন
#৩য় ৪থ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়বেন
না বরং ১ তসবিহ পরিমান দাঁড়িয়ে অর্থ্যাৎ সুবহানাল্লাহ পড়তে যতক্ষন সময় লাগে ততক্ষন
দাঁড়িয়ে রুকুতে চলে যাবেন, যদিও এটি সুন্নতে খেলাফ কিন্তু অনেক বেশী যদি নামাজ কাজা
থাকে তাতে টাইম যদি অনেক বেশী লাগে তাহলে এই তরিকার উপর আমল করা যাবে, কেননা ফরযের
৩য় ও ৪থ রাকাতে কেরাত পড়া ওয়াজিব নয়।
এখন (লা সালাতা ইল্লা বি ফাতিহাতিল কিতাব) সুরা ফাতেহা ছাড়া নামাজ হয়না, এর
দ্বারা দলিল দিয়ে যদি বলে নামাজ হবেনা তাদের জানা দরকার এখানে বলা হয়েছে নামাজ হবেনা
রাকাত হবেনা বলা হয়নি, সে জন্য ইমাম মালেক (রহ) এর মশহুর মত হল ৪ রাকাতের মধ্যে যদি
১ রাকাতেও সুরা ফাতেহা পড়া হয় তাহলে নামাজ হয়ে যাবে। আর হানাফিয়ার মতে ৪ রাকাতের মধ্যে
শেষ ২ রাকাত প্রথম ২ রাকাতের মুশাবেহ সে কারনে সফরে শেষ দুই রাকাত মাফ হয়ে যায় প্রথম
২ রাকাত পড়তে হয়। সে জন্য সহজতার জন্য কাজা নামাজে শেষ ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়লে ভালো
আর যদি না পড়ে তাহলেও জায়েজ।
# রুকু সিজদার তসবীহ শুধু ১ বার করে পড়বেন,
এভাবেই সহজ ভাবে কাজা নামাজ আদায় করে নিতে পারবেন।

কোন মন্তব্য নেই