স্বামী আপনার দিওয়ানা হয়ে যাবে-১৫টি গোপন টিপস
স্বামী আপনার দিওয়ানা হয়ে যাবে-১৫টি গোপন টিপস
২৭
বছর যাবৎ স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার বিষয় নিয়ে গবষনা করা হয়েছে সে গবেষনায় ১৫টি গোপন
রহস্য বেরিযে এসেছে যা ফলে করলে স্বামী স্ত্রীর জীবন মধুময় হবে।
১ম
পয়েন্ট- তারা সে গবেষনায় লিখেন সুখময় জীবন
ও সংসারের জন্য একজন নারীকে প্রতিদিন আধাঘন্টা এক্সেসাইজ করা উচিত। যাতে তার বডি ফিট
থাকে, এবং সে স্বস্থবান হিসেবে জিন্দেগী যাপন করতে পারে।
২য়
পয়েন্ট- নারীদের উচিত ভালো ও প্রয়োজনীয় খাদ্য গ্রহণ করা, যাদে শরীর সবল থাকে। অনেক
রমনীয় ডায়েটের নামে এত কম খাবার খায় যে দুর্বল হয়ে যায় এবং উঠে দাঁড়ানোই মুশকিল হয়ে
যায়। আর বলেও যে আমি বসা থেকে উঠলে আমার মাথা চক্কর দেয়।
৩য় পয়েন্ট- নারীদের
উচিত পাক পবিত্র থাকা, প্রতিদিন গোসল করা, পরিপাঠি ভাবে চলা, ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত কাপড়
পরিধান করে কিংবা শরীরে দুর্গন্ধ নিয়ে স্বামীর কাছে না যাওয়া।
৪থ পয়েন্ট- বই
পড়া নারীদের জন্য খুবই জরুরী বই পড়লে ব্রেইন কাজ করে এবং দেমাগ সতেজ থাকে।
৫ম পয়েন্ট- নারীদের
স্বভাব চরিত্র যেন নম্র হয় এবং তার আচার ব্যবহারে স্বামীর প্রতি ভালবাসা পূর্ণ হওয়া
জরুরী।
৬ষ্ঠ
পয়েন্ট- নারীদের এটিচিউট এমন রাখা উচিত যেন তার এটিচিউটের কারনে স্বামী তার সকল মনের
কথা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ করে দেয়। অর্ত্যাৎ এটিচিউট এমন সহমর্মিতা ওয়ালা, সমবেদনাওয়ালা,
মায়া মমতা পূর্ণ হওয়া যাতে স্বামী তার কোন কথাই মনের মধ্যে গোপন করে রাখতে না পারে।
৭ম
পয়েন্ট- নারীদের উচিত স্বামীকে ধর্মীয় বিভিন্ন সভা সমাবেশে অংশ গ্রহণে উৎসাহ দেয়া।
শুধু ঘরে বসে থাকা থেকে নিরুৎসাহিত করা দরকার, বাহিরের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে
অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দেয়া। অনেক নারী স্বামীকে ঘর থেকেই বের হতে দেয়না, কোন অনুষ্ঠানে
অংশ গ্রহণ করতে দেয়না এটা খুবই খারাপ অভ্যাস।
৮ম
পয়েন্ট- স্ত্রীর জিম্মাদারী হল স্বামী যখন বাহির থেকে আসবে তখন তাকে হাসিমুখে বরণ করে
নেয়া, স্বামীর সাথে আই কন্টাক করা, এবং স্বামীকে রিসিভ করে নেয়া।
৯ম
পয়েন্ট- স্বামীর যে কোন ভালো উদ্যোগকে পরিশ্রমকে উৎসাহ উদ্বিপনা দেয়া।
১০ম
পয়েন্ট- নারীদের মধ্যে সেন্স অফ হিউমার তথা রসিকতাবোদ থাকা উচিত, অর্থ্যাৎ এমন কথা
বলা যাতে একে অপরের আরো কাছের হওয়া যায়, স্বামী স্ত্রী একসাথে বসে হাসা কথা বলা এতে
একে অপরের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক আরো বৃদ্ধি পায়।
১১তম
পয়েন্ট- নারীদের আরো একটি জিম্মাদারী হল স্বামী কি চায় তা আগে থেকেই বুঝে নেয়া এবং
স্বামী চাওয়ার আগেই তা স্বামীর হাতে কাছে এনে দেয়া এর ব্যবস্থা করে রাখা।
১২তম
পয়েন্ট- স্ত্রী কখনো ঘরের কাজ স্বামীর কাজ করাতে নিজেকে ছোট ভাববে না বরং স্বামীর কাজ
করাকে স্বামীর খেদমত করাকে স্বামীর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার মনে
করবে।
১৩তম
পয়েন্ট- ঘরের সবকিছু নিজের মর্জি মোতাবেক হবে এমন ভাবা থেকে িবরত থাকতে হবে, যে সব
নারী গারীর স্টিয়ারিং এর মত ঘরের সবকিছু নিজের কন্ট্রোলে হবে মনে করে সে সব ঘরে প্রবলেম
বেশী হয়, অনেক ঘরে এমন আছে যে ঘরের কোন বিষয়ে স্বামীর কোন সিদ্ধান্ত চলেনা, এমনকি স্বামীর
মতামতেরও কোন গুরুত্বও দেয়া হয়না, অনেক সময় স্বামী কোন বিষয়ে কারো সাথে কথা বললে তখন
স্ত্রী স্বামীর দিকে এমন আড় চোখে তাকায় যে, যাতে বুঝা যায় স্বামীর কথা বলাটা স্ত্রী
পছন্দ করছেনা।
১৪তম
পয়েন্ট- অনেক নারী আছে যারা স্বামীর সব কাজে এত বেশী দোষ ত্রুটি বের করে যার ফলে স্বামী
স্ত্রীর আর কোন কাজ করে দিতে সাহসই করেনা, ফলে অনেক সময় একান্ত প্রয়োজনে স্বামীকে কোন
কাজের রিকুয়েস্ট করলেও স্বামী তা আর করে দিতে রাজি হয়না।
১৫তম
পয়েন্ট- অনেক নারীর মধ্যে একটি রোগ আছে তাকে বলে Helpsindrom সকল কাজে নাক গলানো, আর
এর ফলে স্বামী স্ত্রীর সম্পক অনেক সময় খারাপ হয়ে যায়, আর আরেকটি রোগ যার নাম মাদার
কমপ্লেক্স- অর্থ্যাৎ অনেক স্ত্রী তার স্বামীকে শিশুর মত হ্যান্ডেল করে, স্বামীকে বেওকুফ
মনে করে। যা কখনো সুখকর হয়না।

কোন মন্তব্য নেই